ফসফরাস এর উৎস,কাজ,অভাবজনিত লক্ষণ এবং এর দৈনিক চাহিদা

ক্যালসিয়াম এর পর ফসফরাস আমাদের দেহে উপস্থিত দ্বিতীয় সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাক্রোমিনারেল । মানবদেহে উপস্থিত ৩০% মিনারেল ফরফরাস এবং একজন মানুষের দেহে সাধারণত ৬০০ gm ফসফরাস থাকে। এর মধ্যে ৮৫% ফসফরাস ক্যালসিয়ামের মতো মানুষের হাড় এবং দাঁতে জমা থাকে, অবশিষ্ট ১৫% আমাদের টিস্যুর মধ্যে ছড়িয়ে থাকে।

ফসফরাস এর উৎস 

ফসফরাস এর প্রাণীজ উৎস – দুধ,মাছ,মাংস,ডিম,নানা ধরনের সামুদ্রিক খাবার ।

ফসফরাস এর উদ্ভিজ উৎস – নারকেল বা ডাবের জল, বাদাম ।

ফসফরাস এর অভাবজনিত ফলাফল 

  • হাড় দুর্বল হয়ে আসা।
  • হাড়ে ব্যাথা ও অসুখ। যেমন- (Osteomalacia/Rickets)
  • হৃদ রোগ(cardiovascular disorder) 
  •  কিডনির অসুখ (Chronic kidney disorder)
  • মানসিক অসুস্থতা (mental brain disorders)
  • ক্ষিদে কমে যাওয়া।
  • বমি বমি ভাব।
  • পেশি দুর্বল হয়ে যাওয়া/ ক্লান্তি অনুভব করা।
  • কনফিউসন হওয়া।

মানবদেহে ফসফরাসের কাজ

  • রক্ত চলাচল ঠিক রাখা।
  • হাড় এবং দাঁতের গঠন মজবুত করা।
  • পেশির নিয়ন্ত্রণ ঠিক রাখা।
  • এছাড়াও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা অক্ষুন্ন রাখা।

এই কারণে ফসফরাস মানবদেহের খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি মিনারেল। যা ক্যালসিয়ামের পরেই স্থান পায়। শরীরে ফসফরাসের অভাবজনিত কারণে বিভিন্নরকম রোগ দেখা দিতে পারে। তাই ফসফরাসের দৈনিক চাহিদা মেটাতে সঠিক পরিমাণ অনুযায়ী নিয়মিত ফসফরাস নেওয়া প্রয়োজন। 

মানবদেহে ফসফরাসের দৈনিক চাহিদা

ICMR এর তথ্য অনুযায়ী একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের দৈনিক ফসফরাস চাহিদা  400 mg  , প্রাপ্তবয়স্ক মহিলাদের 400 mg এবং গর্ভবতী মহিলাদের 1000 mg ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page